সুস্থ থাকতে চুমুক দিন ভাঁড়ের চায়ে! জানুন কারণ... - New 24

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

9 Nov 2020

সুস্থ থাকতে চুমুক দিন ভাঁড়ের চায়ে! জানুন কারণ...

https://ift.tt/3ndgYdr
এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ভাঁড়ের চায়ের স্বাদই আলাদা। অ্যালুমিনিয়ামের বাটিতে দুধ, চিনি, চা বারবার ফুটে স্বাদ হারিয়ে ফেললেও যখন মাটির কাপে চা ঢালা হয় তখন তার স্বাদই বদলে যায়। আর এই ভাঁড়ের চায়েই জমে ওঠে বন্ধুত্ব। কলেজ ক্যান্টিন থেকে ফুটপাথের আড্ডা...সঙ্গী সেই এক কাপ চা। মাটির গন্ধ মাখা ভাঁড়ে চুমুক দিলেই অজান্তে ভালো হয়ে যায় মন। শুধুমাত্র কলকাতাই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানেই প্রচলন রয়েছে এই ভাঁড়ের চায়ের। তবে কলকাতার ভাঁড়ের চায়ের স্বাদই আলাদা। মাটির ভাঁড়ই নয়, মাটির থালা, সরা, বাটি, হাঁড়ি-সহ অন্যান্য পাত্রেরও একটা বিশেষ গন্ধ আছে। ফলে মাটির পাত্রে রান্না করা খাবারের স্বাদই আলাদা। সেই সঙ্গে বজায় থাকে পুষ্টিগুণ। বজায় থাকে খাবারের অম্লত্ব-ক্ষারত্ব। সেই সঙ্গে মাটির পাত্রে রান্না করলে খাবারের মধ্যে খনিজ, ফসফরাস, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বজায় থাকে। যে কারণে খাসির মাংস সবসময় মাটির পাত্রে রান্না করার কথা বলা হয়। তবে কাঁচের গ্লাস থেকে প্লাস্টিকের কাপ, (ইদানিং যোগ হয়েছে কাগজের কাপ) চা পরিবেশন করা হয় সবেতেই। কিন্তু মাটির ভাঁড়ের মতো আরাম আর কোথাও নেই। এর পেছনের কারণই বা কি, মাটির ভাঁড়ে চা খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো তা কি জানেন? বিজ্ঞানীদের মতে, মাটির ভাঁড়ে চা খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি হয় না। কারণ মাটির গুণ রয়েছে। এছাড়াও বাইরের দোকানের দুধ -চায়ের সঙ্গে এলাচ, দারচিনি মেশে। সব মিলিয়ে পুষ্টিগুণ বাড়ে, কমে না। এমনকী যাঁরা গ্যাস-অম্বলের ভয়ে দুধ চা খেতে চান না তাঁরাও এখবার খেয়ে দেখতে পারেন। কারণ মাটির ভাঁড়ে অ্যালকালাইন থাকায় অ্যাসিডের মাত্রা কমে যায়। যে কারণে মাটির গ্লাসে জল খেতে বলা হয় গ্যাস-অম্বলের রোগীদের। আর তাই কোনও শারীরিক সমস্যা হবে না বলেই তাঁদের বিশ্বাস। কিন্তু প্লাস্টিকের কাপ একদমই ভালো হয়। প্লাস্টিকের সংস্পর্শে কোনও গরম কিছু আসলেই বিক্রিয়া করে। সেখান থেকে তৈরি হয় ক্ষতিকর রাসায়নিক। যা শরীরের সঙ্গে মিশলে হতে পারে ক্যানসারের মতো জটিল রোগ। এছাড়াও যে উপাদানে প্লাস্টিক তৈরি হয় গরমের সংস্পর্শে এসে তা গলে যায়। আর সেখান থেকে ক্লান্তি, হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি আসে। মাটির ভাঁড়ে এসবের আশঙ্কা নেই। আরও পড়ুন: এছাড়াও মাটির ভাঁড় থেকে কোনও দূষণ হয় না। কারণ মাটি পরিবেশের কোনও ক্ষতি করে না। আর তাই মাটির ভাঁড়ও পরিবেশ বান্ধব। ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় মাটির সঙ্গেই। এতে পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় থাকে। দূষণও কম হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। স্টিলের গ্লাসও চলবে না স্টিলের গ্লাস খুব ভালো করে মাজা না হলে তাতে এসে একাধিক রোগ জীবানু বাসা বাঁধে। সেখানে ধুলো এসেও জমে। সব মিলিয়ে বেড়ে যায় সংক্রমণের আশঙ্কা। আর যে জল দিয়ে গ্লাস ধোওয়া হচ্ছে, তা যদি ভালো না হয় তাহলেও বিপদ। একটা গামলায় জল রেখে সেই গামলাতেই বার বার ডুবিয়ে স্টিলের গ্লাস, বাটি ধোওয়া একদম উচিত নয়। মাটির ভাঁড় একবারই ব্যবহার করা হয়। চা খেয়েই ফেলে দেওয়া হয়। ফলে এই সব সমস্যা থাকে না। আরও পডুন: যেখানে সেখানে চা নয় রাস্তায় চা খাওয়ার আগে অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন চা কীভাবে পরিবেশন করা হচ্ছে। কাঁচের গ্লাসে চা পরিবেশন করা হলে দেখুন তা কীভাবে ধোওয়া হচ্ছে কতটা পরিষ্কার। তবে করোনা কালে কাঁচ, স্টিলের গ্লাস, প্লাস্টিক একদম এড়িয়ে চলুন। পারতপক্ষে কাগজের কাপও এড়িয়ে চললে ভালো। মাটির ভাঁড় ছাড়া চা খাবেন না। নইলে চা খেতে গিয়ে একাধিক সমস্যা, জীবানু বয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। সুতরাং সুস্থ থাকতে নির্ভয়ে চা খান মাটির ভাঁড়েই। এছাড়াও সম্ভব হলে মাটির পাত্রে রান্নাও করুন। মাটির পাত্রে রান্না করলে হার্ট ভালো থাকে। এছাড়াও যদি শিশুদের মাটির হাঁড়ির ভাত খাওয়ান তাহলে হজম ভালো হবে। পেটের সমস্যাও আসবে না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে।


from Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla https://ift.tt/3eGFhx1

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages