এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষের শান্তি ও স্বস্তি কেড়ে নিয়েছে করোনা () । মানুষের দিন যাচ্ছে করোনা আতঙ্কে। বাড়িতে যাঁদের শিশু রয়েছে তাঁরা নিজেদের থেকেও বেশি চিন্তিত সন্তানদের জন্য। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই তাদের নিয়ে বাবা-মায়ের চেষ্টার শেষ নেই। কীভাবে বাড়ানো যাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা? কেমনভাবে গড়তে হবে সুষম খাবারের ( ) অভ্যাস? এখন সকালে উঠে স্কুলের তাড়া নেই, সাঁতার, আঁকা, নাচ ,গান বা টেবিল টেনিস খেলাও বন্ধ, নেই টিউশন যাওয়ার জন্য রেডি হওয়াও। কোভিড যুগে সকলের সঙ্গে ছোটদের জীবনেও বদল ঘটেছে। বাড়িতে থাকার জন্যে এবং হাতে আগের থেকে বেশি সময় পাওয়ায়, ছোটদের সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস ( Habit) গড়ে তোলার এটাই সেরা সময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাঁচ বছর বয়স থেকে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত (১১ বছর থেকে ১৮ বছর) বাচ্চাদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার (nutritious food)। আরও পড়ুন: শিশুদের ডাল ভাত মাছের ঝোলের পাশাপাশি মুখরোচক খাবার দিতেও পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তাঁদের মতে, একটু ধৈর্য নিয়ে খাবার তৈরি করে দিলে একদিকে যেমন খেতে ভালো লাগবে অন্যদিকে বাইরের খাবারের আশক্তি কমবে। জীবনের প্রাথমিকস্তরগুলিতে শিশুর স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে বাইরে খেতে গেলে বা কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার ক্ষেত্রে সহজ হবে। সে জাঙ্কফুড () না ফল ও স্যালাড, কিসের প্রতি আসক্ত হবে, এই পর্যায়ে আপনিই তা নির্ধারণ করবেন। স্বাস্থ্যকর খাবারের ( Healthy Food) পাশাপাশি, আপনার শিশু যেন সক্রিয় থাকে এবং খেলা ও সূর্যের আলোয় বেরুনোর মতো যথেষ্ট সময় পায়, তা আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। এটা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করবে পাশাপাশি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা বলেও কম হবে। আরও পড়ুন: প্রথমত শরীর ও মনের এনার্জির জন্যে প্রয়োজন কার্বোহাইড্রেট ()। এই বয়সের অনেকেই মোটা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভাত রুটি খাওয়া খুব কমিয়ে দেয়। কেউ বাইরের রোল চাউমিন খেয়ে পেটের সমস্যায় ভোগে। সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে ভরপেট খেয়ে যেতে পারলে ভালো হয়। পুষ্টিবিজ্ঞানের একটা মত হল সকালের জলখাবার খেতে হয় রাজার মত, আর রাতের খাবার গরীব প্রজার মত। সকালে কোনওদিন রুটি ডাল, রাজমা, ঘুগনি, খোসা-সহ ডালের তড়কা খাওয়া যেতে পারে। টাটকা মাছ-সবজি-ফল-দুধ নিয়মিত রাখতে হবে শিশুর খাবারের তালিকায়। শিশুর শরীর খারাপ করলেই নিজেরা অ্যান্টিবায়োটিক খাইয়ে দেবেন না। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। বরং শিশুর খাবার, খেলনা, তার হাত যেন সব সময় জীবাণুমুক্ত থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যারা নিরামিষাশী তাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি বেশি দেখা যায়। তাই বিভিন্ন ডাল, বিনসের সঙ্গে পর্যাপ্ত ফল খেতে হবে। আর হাড়ের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দুধ, ছানা, দই খাওয়াও দরকার। পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীর গড়ে তোলার পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা ও সাইকেল চালালে শরীর মন দুইই ভালো থাকবে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে।
from Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla https://ift.tt/2GNg6fG
No comments:
Post a Comment